শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪২ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ:
রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এ.কে.এম তছলিম হোসেন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন আনোয়ার হোসেন খান এমপি || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের কাঞ্চনপুরে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সৌদি বিল্লাল || Lakshmipur Pratidin পূনরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবুল হোসেন মিঠু || Lakshmipur Pratidin মানবতার কল্যাণে কাজ করাই আমাদের সবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ …..ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া রামগঞ্জে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শামছুল ইসলাম সুমন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষনের দায়ে পল্লী চিকিৎসক আটক || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে পূনরায় চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় হাজী মোহাম্মদ হোসেন রানা || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী মাঈনউদ্দিন মানিক || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের চন্ডিপুরে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী বুলবুল পাইন || Lakshmipur Pratidin

লক্ষ্মীপুরে মেঘনায় অবাধে চলছে চিংড়ি ধরা

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনায়  অবাধে চলছে গলদা-বাগদা চিংড়ি ধরার মহোৎসব। এতে ধ্বংস হচ্ছে, নদী ও সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা। ফলে মেঘনায় দিন দিন অস্থিত্বের সংকটে পড়েছে গলদা-বাগদা, ইলিশ’সহ বিভিন্ন প্রজাতের মাছের রেণু পোনা, নষ্ট হচ্ছে।

এদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করেই জেলেরা প্রকাশ্যে গলদা-বাগদা চিংড়ির পোনা আহরণ করা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

তথ্যমতে জানা গেছে, গত ২০০০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে দেশের উপকুলীয় এলাকায় মাছের পোনা আহরণ নিষিদ্ধ করলেও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলছে পোনা ধরার মহোৎসব।

রায়পুরের পানিঘাট, হাজীমারা, পুরান বেড়ি, মেঘনা বাজার, টুনুরচর, মিয়ারবাজার, মেঘনা নদীর বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়েও চলছে গলদা-বাগদা চিংড়ি পোনা ধরার মহোৎসব।

রায়পুরে মেঘনা বাজার ,প্রভাবশালী জয়দুল কবিরাজ, সৌরাভ এর নেতৃত্বে বিক্রয় করে আসছে। এ ব্যপারে জয়দুল কবিরাজ এর সাথে যোগাযোগ করিলে তিনি বলেন, আরে ভাই আমি নদির পথে ট্রালারে খুলনা বিক্রি করি কোর্ডগার্ডকে মেনেজ করে শহর আলীমোড়ের মাছঘার্ট দিয়ে।

এ পোনা অতি ক্ষুদ্র হওয়ায় তা ধরতে যে জাল ব্যবহার করা হয় তাতে ধ্বংস হয় বিভিন্ন প্রজাতের রেণু পোনাও। এ জন্য নদীতে চিংড়ি পোনা শিকার নিষিদ্ধ করে সরকার। তবে সে নিষেধাজ্ঞা মানছে না জেলেরা।

বাজারে প্রতিটি গলদা-বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা বিক্রি হয় ১/২ টাকা করে। এক এক জেলে প্রতিদিন বিক্রি করছে ২শ’ থেকে ৩শ’ পোনা। মহাজনরা অগ্রিম ঋণ দেওয়ায় রেণু পোনা শিকারে উৎসাহী উঠছে জেলেরা।

রেনু পোনা শিকারীরা জানান, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় নিষেধাজ্ঞা সত্বেও পেটের দায়ে বাধ্য হয়েই রেনু পোনা শিকার করতে হচ্ছে তাদের।

এদিকে স্থানীয়রা জানান, নদীতে চিংড়ি রেনু পোনা শিকার নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার সুযোগে এক শ্রেনীর অসাধু জেলেরা এ চিংড়ি ধরতে গিয়ে হাজারো প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের পোনা নিধন করছে।

এতে ধ্বংস হচ্ছে নদী ও সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা। ফলে মেঘনায় দিন দিন অস্থিত্বের সংকটে পড়েছে গলদা-বাগদা, ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতের মাছের পোনা।

রেনু ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জেলেদেরে কাছ থেকে তারা এক হাজার পোনা ক্রয় করেন ৫/৬’শ’ টাকায়। রেনু পোনা কিনে খুলনা, আলায়পুর ও ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন জেলা গলদা ও বাগদা চিংড়ির ঘের মালিকদের কাছে বিক্রি করেন।

অবাধে গলদা পোনা ধরার কথা স্বীকার করে, মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় চিংড়ি পোনা শিকারিদের নিভৃত করার জন্য ঝটিকা অভিযানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানালেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: বিল্লাল হোসেন।

এ ব্যপারে কোর্ডগার্ট এর সাথে একাধিক বার মটো ফোনে যোগাযোগ করিলে তিনি রিচিভ করেননি।

রেণু পোনা রক্ষায় মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও নজরধারী জোরদার হলে নদী ও সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন যেমন বাড়বে তেমনি গতিশীল হবে দেশের অর্থনীতির উৎস।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন


© All rights reserved © 2020 Lakshmipurpratidin.com
Design & Developed BY N Host BD