বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ:
রামগঞ্জের ভাটরা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এড. মোঃ আমিনুল ইসলাম সুমন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে করপাড়া ইউনিয়নের জনগণের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক ছলিম উল্লাহ || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এ.কে.এম তছলিম হোসেন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন আনোয়ার হোসেন খান এমপি || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের কাঞ্চনপুরে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সৌদি বিল্লাল || Lakshmipur Pratidin পূনরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবুল হোসেন মিঠু || Lakshmipur Pratidin মানবতার কল্যাণে কাজ করাই আমাদের সবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ …..ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া রামগঞ্জে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শামছুল ইসলাম সুমন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষনের দায়ে পল্লী চিকিৎসক আটক || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে পূনরায় চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় হাজী মোহাম্মদ হোসেন রানা || Lakshmipur Pratidin

রামগঞ্জে উনিশ বছরেও সংস্কার হয়নি সড়কটি, জনদূর্ভোগ চরমে || Lakshmipur Pratidin

জাকির এইচ সুমন ঃ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ রামগঞ্জ-ডাগ্গাতলি ওয়াপদা সড়কটি গত উনিশ বছরেও সংস্কার হয়নি। এতে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে লক্ষাধিক মানুষ। সড়কের বেহাল দশার কারনে চলছে না যানবাহন। এমনকি করোনাকালীন সময়ে অসুস্থ রোগীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিতে চাইলে কিংবা গর্ভবতী মায়েদের জরুরী প্রয়োজনে হাসপাতালে নিতে চাইলে এ সড়কে আসতে চায়না এম্বুলেন্স। বাধ্য হয়ে  পাঁচ কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয় হাসপাতালে। এতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে রোগীর স্বজনদের, সময় ক্ষেপনের কারনে অকালেই প্রান হারাচ্ছে গর্ভবতি মা । এছাড়া স্কুল, কলেজ,মাদ্রাসাসহ অন্তত দশটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাহস্রাধিক শিক্ষার্থীদের এ সড়ক ধরেই যাতায়াত করতে হয়। প্রতিনিয়তই দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে কোমলমতি শিশুসহ ছাত্রছাত্রীদের।

জানা গেছে, ২০০২ সালে তৎকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হক জিয়ার সময়ে পাকাকরন হয় ১০ কিলোমিটারের এ সড়কটি। কিন্তু নিম্নমানের উপকরন দিয়ে কাজ করায় কিছুদিন পরেই জরাজীর্ণ জয়ে পড়ে সড়কটি।
তারপর থেকে এ সংসদীয় আসনে পরপর তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও এসড়কটি করো দেখার সুযোগ হয়নি। বর্তমান সাংসদ আনোয়ার হোসেন খান নিশ্চয়ই এ সড়ক সংস্কারে নজর দিবেন বলে আশা প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
গতকাল ১২জুন শনিবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, দশ কিলোমিটারের পুরো সড়ক জুড়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। সড়কের ৯৭ শতাংশ পিচ ঢালাই উঠে গেছে। কোথাও ভেঙে গিয়ে কিংবা দেবে গিয়ে পাশের খালে পড়ে  গেছে। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও চলাচল করা দূরুহ হয়ে পড়েছে। এছাড়া ওয়াপদা খালে অপরিকল্পিত ভাবে মাছ চাষ করার কারনে এবং সড়কটি ঘেঁষে মাটি ও গাছ কেটে ভূমিহীনদের ঘরতুলে বসবাস করার কারনে ভেঙে যাচ্ছে সড়কটি। ৬৫.৩৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলায় এল.জি.ইডি এর আওয়তায় ১০ টি ইউনিয়নে ৩০০ টি পাকা সড়ক রয়েছে। এর মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পিচ ঢালাই উঠে গর্ত হয়ে এখন বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যাংকার নজির আহমেদ, শহিদ উল্লাহসহ শতাধিক লোকজন জানায়, সড়কটি দিয়েই  পাশ্ববর্তী চাঁদপুর, হাজীগঞ্জ , ফরিদগঞ্জ, রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে যাতায়াত করতে হয় এ অঞ্চলের মানুষকে। মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ট্রাক, প্রাইভেট কার, এম্বুলেন্স, সিএনজিসহ ভিবিন্ন যানবাহন চলাচল করতো কিন্তু বেহাল দশার কারনে কোন যানবাহন চলাচল করে না। ফলে পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে উপজেলা শহরে যেতে হয় তাদের।

লামচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহেনারা পারভীন পান্না বলেন, এসড়কের বেহাল অবস্থার কারনে প্রতিনিয়ত এ অঞ্চলের মানুষের দূর্ভোগ বেড়েই চলেছে। মানুষের দূর্দশার কথা উল্লেখ করে স্থানীয় সাংসদ সহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদ হাসান বলেন, সড়কটির পাশের গাছ কেটে  ভূমিহীনরা ঘরবাড়ি করার কারনে সড়কটি সংস্কারের খরচ বেড়ে গেছে। তাই বিশেষ বরাদ্দ চেয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছি, বরাদ্দ পেলে রাস্তাটি সংস্কার করা হবে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খান বলেন, সড়কটি সংস্কারের জন্য বিশেষ বরাদ্দের প্রয়োজন। বরাদ্দ পেতে সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন


© All rights reserved © 2020 Lakshmipurpratidin.com
Design & Developed BY N Host BD