বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ:
রামগঞ্জের ভাটরা ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এড. মোঃ আমিনুল ইসলাম সুমন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে করপাড়া ইউনিয়নের জনগণের মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক ছলিম উল্লাহ || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের করপাড়া ইউনিয়নে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এ.কে.এম তছলিম হোসেন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন আনোয়ার হোসেন খান এমপি || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জের কাঞ্চনপুরে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সৌদি বিল্লাল || Lakshmipur Pratidin পূনরায় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আবুল হোসেন মিঠু || Lakshmipur Pratidin মানবতার কল্যাণে কাজ করাই আমাদের সবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ …..ড. হাকীম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া রামগঞ্জে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী শামছুল ইসলাম সুমন || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষনের দায়ে পল্লী চিকিৎসক আটক || Lakshmipur Pratidin রামগঞ্জে পূনরায় চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় হাজী মোহাম্মদ হোসেন রানা || Lakshmipur Pratidin

ভয়াল ১২ নভেম্বর, আজও সেই স্মৃতি কাঁদায়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ   ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর ভোলা সাইক্লোনে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে উপকূল। সেদিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার। মধ্যরাতে ৩-১০ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছাসে লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা যায়।ভয়াল সে দিনটির আজ ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। আজ ১২ নভেম্বর, আজও সেই বৃহস্পতিবার। প্রতি বছর ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারীরা এখনো দিনটিতে আঁতকে উঠেন।

এদিকে দিনটিকে উপকূল দিবস দাবির লক্ষ্যে উপকূল বন্ধু নামে পরিচিত সাংবাদিক রফিকূল ইসলাম কাজ করে যাচ্ছেন। ২০১৭ সাল থেকে উপকূলের অর্ধশতাধিক স্থানে উপকূল দিবস পালন করা হচ্ছে। তবে এটি সরকারিভাবে পালন করার দাবি জানাচ্ছেন ভোলা সাইক্লোনের প্রত্যক্ষদর্শীরা। লক্ষ্মীপুরের কমলনগর প্রেস ক্লাব ও সদর উপজেলায় উপকূল দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

স্বজন হারাদের তথ্যমতে, ৭০ সালে উপকূলীয় চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত রেডিও ছিল না। তবে ঘটনার দিন রেডিওতে উপকূলে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু কেউ তা জানতে পারেনি। যে কয়েকজনের কাছে রেডিও ছিল তারা শুনতে পেরেও বিশ্বাস করেনি। আবার ওইদিন সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছিল। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় হালকা বাতাস। গভীর রাতে যখন মানুষ ঘুমিয়ে পড়েছিল তখনই ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে। ঝড় আর পাড়াহসম স্রোতে লন্ড ভন্ড হয়ে যায় উপকূল।

সূত্র জানায়, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর দিবাগত রাতে ভোলা জেলায় ২৪০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে এসেছিল ভোলা সাইক্লোন। সেদিন লক্ষ্মীপুরের মেঘনা ও ভুলুয়া নদী উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি ১৮৫ কিলোমিটার বেগে আঘাত হেনেছে। প্রায় ১০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গেছে হাজার হাজার মানুষ ও গবাধি পশু। সেদিনের জলোচ্ছ্বাসে মেঘনা উপকূলীয় এ অঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মারা যায়। সরকার হিসেব অনুযায়ি সাইক্লোনটিতে ৫ লাখ মানুষ মারা যায়। তবে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার তথ্যমতে ওইদিন প্রায় ১০ লাখ মানুষ মারা গিয়েছে।

জানা গেছে, দেশের ইতিহাসে ভোলা সাইক্লোনটি সবচেয়ে বড় প্রলয়ংকারী ঘটনা। ওইদিন লক্ষ্মীপুরের রামগতির মেঘনা উপকূলীয় চরআবদুল্লাহ, কমলনগরের ভুলুয়ানদী উপকূলীয় চরকাদিরাসহ নোয়াখালীর হাতিয়া, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এটি হানা দেয়। দিনের আলোয় চারদিকে শুধু লাশ আর লাশ দেখা যায়। লাশের গন্ধে মানুষ কাছে যেতে পারেনি। ৩-১০ ফুটের জলোচ্ছ্বাসের কারণে মাটি দেয়া যায়নি মৃত মানুষগুলোকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মূল্যবান মতামত লিখুন


© All rights reserved © 2020 Lakshmipurpratidin.com
Design & Developed BY N Host BD